মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা ২০২২ | মাইওয়ান ফ্রিজের দাম ও কিস্তিতে কেনার নিয়ম

মাইওয়ান ফ্রিজের মূল্য তালিকা

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। এক সময় ফ্রিজ শুধুমাত্র ধনী শ্রেনী ব্যবহার করতো এবং এটি ছিলো ধনীদের সখিনতার প্রতিক। তবে বর্তমানে ফ্রি আর সখিনতা নয় বরং প্রয়োজনে পরিনত হয়েছে। এখন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো তাদের নিজেদের প্রয়োজনে ফ্রিজ ব্যবহার করে থাকে। বর্তমানে বাজারে অনেক ব্রান্ডের ফ্রিজ পাওয়া যায় কিন্তু যাদের বাজেট একটু কম অথবা যারা কিছুটা কম টাকার মধ্যে ভালো মানের একটি ফ্রিজ কিনতে চান তাদের জন্য আমাদের আজকের এই ব্লগটি।

বর্তমানে ভ্যালু ফর মানি ফ্রিজ যারা তৈরি করে অর্থাৎ কম টাকায় ভালো মানের ফ্রিজ যেসব কোম্পানি বাজারে আনে তাদের মধ্যে অন্যতম একটি কোম্পানি হচ্ছে মাইওয়ান। এক সময় মাইওয়ান ফ্রিজের ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকলেও বর্তমানে বাজারে মার্সেল ওয়ালটনের মত কোম্পানির চলে আসায় মাইওয়ান কিছুটা মার্কেট হারিয়েছে। তবে এখনো তারা ভালো মানের সার্ভিস দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাই আপনি যদি কিছুটা কম বাজেটে ভালো মানের ফ্রিজ নিতে চান তাহলে আজকের ব্লগটি আপনার জন্য কার্যকরি হবে। নিচে আমরা মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা দেয়ার চেষ্টা করবো।

মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা
মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা

মাইওয়ান ফ্রিজ কেমন

বর্তমানে বাজারের অন্যান্য দামি ফ্রিজের মতন মাইওয়ান ও তাদের ফ্রিজ ও কম্প্রেসারের সাথে ১০ বছরের ওয়ারেন্ট দিচ্ছে। কিন্তু মাইওয়ান ফ্রিজের দাম বাজারে অন্যান্য ফ্রিজের তুলনায় কিছুটা কম। অর্থাৎ আপনি তুলনামূলক ভালো মানের ফ্রিজ পাচ্ছেন কিছুটা কমদামে। যা একজন ক্রেতার জন্য অবশ্যই ভালো দিক। এছাড়া সারা বাংলাদেশে মাইওয়ান এর সেল পয়েন্ট ও সার্ভিস পয়েন্ট রয়েছে যার ফলে আপনি যেকোন সময় সার্ভিস নিতে কোন অসুবিধা হবে না। এছাড়াও মাইওয়ান ফ্রিজের ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি অনেক রুচিশীল ও টেকসই। সব হিসেব করলে বলা যায় মাইওয়ান ফ্রিজ অবশ্যই আপনার জন্য ভালো একটি অপশন হতে পারে।

মাইওয়ান ফ্রিজের দাম

উপরে আমরা মাইওয়ান ফ্রিজ নিয়ে সংক্ষেপে কিছু জিনিস জানার চেষ্টা করেছিলাম। এখন আমরা আমাদের মূল আলোচনা অর্থাৎ মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা দেখে নেয়ার চেষ্টা করবো। মাইওয়ান কয়েকটি নির্দিষ্ট সাইজের ফ্রিজ বাজারে এনেছে।

  1. মাইওয়ান ১৯৫ লিটার ফ্রিজ
  2. মাইওয়ান ২২২ লিটার ফ্রিজ
  3. মাইওয়ান ২৫২ লিটার ফ্রিজ
  4. মাইওয়ান ২৫৫ লিটার ফ্রিজ
  5. মাইওয়ান ৩০০ লিটার ফ্রিজ
  6. মাইওয়ান ৩০৫ লিটার ফ্রিজ

আমরা প্রত্যেকটি সাইজের ফ্রিজের মূল্য আলাদা আলাদা ভাবে দেখার চেষ্টা করবো। এবং প্রত্যেক সাইজের ভালো কয়েকটি ফ্রিজ আপনাদের জন্য সাজেস্ট করবো। চলুন তাহলে মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক

মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা – মাইওয়ান ১৯৫ লিটার ফ্রিজের দাম

বর্তমানে মাইওয়ান ১৯৫ লিটার ফ্রিজ একটি রয়েছে আর তা হলো ML 195 sky blue. ফ্রিজটির বর্তমান বাজার মূল্য ধরা হয়েছে ২১ হাজার টাকা। যাদের বাজেট কিছুটা কম অথবা যারা ছোট ফ্যামিলির জন্য ভালো একটি ফ্রিজ খুজছেন তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ পছন্দ হতে পারেন। চলুন এক নজরে এই ফ্রিজের কিছু ভালো দিকে দেখে নেয়া যাক

মাইওয়ান ফ্রিজের মূল্য তালিকা
ML 195 sky blue
  • মডেল – ML 195 sky blue
  • ব্র্যান্ড –  My Life
  • দাম – ২১,০০০ টাকা
  • কালার – আকাশী কালার
  • গ্রস আয়তন – ১৯৮ লিটার
  • নেট আয়তন –  ১৯৫ লিটার
  • রেফ্রিজারেটরের আয়তন – ১২১ লিটার
  • ফ্রিজেরের আয়তন (ডিপ ফ্রিজ) –  ৭৪ লিটার
  • দরজার ধরন – গ্লাস ডোর
  • পাওয়ার ভোল্টেজ – 220~240 / 50Hz
  • ইন্টেরিয়র লাইট –  এলইডি লাইট
  • কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি – ১০ বছর
  • সার্ভিস ওয়ারেন্টি – ৩ বছর

মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা – মাইওয়ান ২২২ লিটার ফ্রিজের দাম

মাইওয়ান ফ্রিজের পরবর্তী ক্যাটাগরি হচ্ছে মাইওয়ান ২২২ লিটার ফ্রিজ। এই ক্যাটাগরিতে ও মাইওয়ানের বেশ কয়েকটি ফ্রিজ রয়েছে। তবে আমরা সব দিক বিবেচনায় আপনাদের জন্য ২২২ লিটারের একটি ফ্রিজ পছন্দ করেছি। ML 222 Black মডেলের এই ফ্রিজটি বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ২৫০০০ টাকায়। নজর কাড়া ডিজাইন ও বড় স্পেস নিয়ে ফ্রিজটি যেকারো পছন্দ হবে আশা করি। চলুন এই ফ্রিজটি নিয়ে বিস্তারিত দেখে নেয়া যাক।

ML 222 Black 500x500 1
ML 222 Black
  • মডেল – ML 222 Black
  • ব্র্যান্ড –  My Life
  • দাম – ২৫,০০০ টাকা
  • কালার – কালো
  • গ্রস আয়তন – ২২৯ লিটার
  • নেট আয়তন –  ২২২ লিটার
  • রেফ্রিজারেটরের আয়তন – ১৩৫ লিটার
  • ফ্রিজেরের আয়তন (ডিপ ফ্রিজ) –  ৮৭ লিটার
  • দরজার ধরন – গ্লাস ডোর
  • পাওয়ার ভোল্টেজ – 220~240 / 50Hz
  • ইন্টেরিয়র লাইট –  এলইডি লাইট
  • কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি – ১০ বছর
  • সার্ভিস ওয়ারেন্টি – ৩ বছর

মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা – মাইওয়ান ২৫২ লিটার ফ্রিজের দাম

এখন আমরা মাইওয়ান ২৫২ লিটার ফ্রিজের দাম নিয়ে আলোচনা করবো। উপরে যে ফ্রিজটি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম সেটি ছিলো ২২২ লিটার। আপনার যদি বাজেট কিছুটা বাড়াতে পারেন তাহলে সরাসরি এই ফ্রিজটি নিতে পারেন। ML – 252 Blue মডেলের ফ্রিজটি বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ২৬০০০ টাকায়। ফ্রিজটির দাম হিসেবে এর আয়তন ও ডিজাইন খুবই নজরকাড়া। চলুন দেখে নেয়া যাক এই ফ্রিজের কিছু উল্লেখযোগ্য ফিচারস

ML 252 Blue 500x500 1
ML 252 Blue
  • মডেল – ML 252 Blue
  • ব্র্যান্ড –  My Life
  • দাম – ২৬,০০০ টাকা
  • কালার – লীল
  • গ্রস আয়তন – ২৪৫ লিটার
  • নেট আয়তন –  ২৫২ লিটার
  • রেফ্রিজারেটরের আয়তন – ১৫০ লিটার
  • ফ্রিজেরের আয়তন (ডিপ ফ্রিজ) –  ১০২ লিটার
  • দরজার ধরন – গ্লাস ডোর
  • পাওয়ার ভোল্টেজ – 220~240 / 50Hz
  • ইন্টেরিয়র লাইট –  এলইডি লাইট
  • কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি – ১০ বছর
  • সার্ভিস ওয়ারেন্টি – ৩ বছর

মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা – মাইওয়ান ২৫৫ লিটার ফ্রিজের দাম

আমরা পরবর্তী যে মডেল নিয়ে আলোচনা করবো তা হলো মাইওয়ান ২৫৫ লিটার ফ্রিজের দাম। এটি মূলত তুলনামূলক বড় ফ্যামিলির জন্য পার্ফেক্ট একটি ফ্রিজ। ML – 255 Purple Lotus মডেলের ফ্রিজটি বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ২৮০০০ টাকায়। এই বাজাটে খুবই ভালো একটি ফ্রিজ বলা যায় এটিকে। এই ফ্রিজের একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ইকোফ্রেন্ডলি এবং বিদ্যুত সাশ্রয়ী। আপনার ফ্যামিলি মেম্বার যদি হয় ৪/৫ জন তাহলে এই ফ্রিজটি আপনার জন্য পার্ফেক্ট একটি পছন্দ হতে পারে। চলুন এই ফ্রিজের মূল আকর্ষনগুলো এক নজরে দেখে নেয়া যাক।

ML 255 Purple Lotus 500x500 1
ML-255 Purple Lotus
  • মডেল – ML 255 Purple Lotus
  • ব্র্যান্ড –  My Life
  • দাম – ২৮,০০০ টাকা
  • কালার – পার্পল কালার
  • গ্রস আয়তন – ২৭৫ লিটার
  • নেট আয়তন –  ২৫৫ লিটার
  • রেফ্রিজারেটরের আয়তন – ১৭৪ লিটার
  • ফ্রিজেরের আয়তন (ডিপ ফ্রিজ) –  ৮১ লিটার
  • দরজার ধরন – গ্লাস ডোর
  • পাওয়ার ভোল্টেজ – 220~240 / 50Hz
  • ইন্টেরিয়র লাইট –  এলইডি লাইট
  • কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি – ১০ বছর
  • সার্ভিস ওয়ারেন্টি – ৩ বছর

মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা – মাইওয়ান ৩০০ লিটার ফ্রিজের দাম

এই পর্যায়ে আমরা মাইওয়ার ফ্রিজের অন্য একটি মডেল মাইওয়ান ৩০০ লিয়ার ফ্রিজের দাম নিয়ে আলোচনা করবো। এই ফ্রিজটি বড় ফ্যামিলির জন্য সুন্দর একটি চয়েস হবে। বাজারে ৩০০ লিটারের অন্যান্য কোম্পানির ফ্রিজ কিনতে গেলে আপনাকে অনেক বেশি খরচ করতে হবে সে তুলনায় মাইওয়ান অনেক কম দামে অল্প খরচে ৩০০ লিটারের ফ্রিজ দিচ্ছে। ML – 300 Orange এই মডেলের ফ্রিজটি বর্তমানে মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৯০০০ টাকায় যা অন্য কোন কোম্পানির কাছে থেকে আশা করা যায় না। চলুন এই ফ্রিজের মেইন ফিচারগুলো দেখে নেয়া যাক।

ML 300 orange 500x500 1
ML 300 Orange
  • মডেল – ML 300 Orange
  • ব্র্যান্ড –  My Life
  • দাম – ২৯,০০০ টাকা
  • কালার – কমলা কালার
  • গ্রস আয়তন – ৩২৭ লিটার
  • নেট আয়তন –  ৩০০ লিটার
  • রেফ্রিজারেটরের আয়তন – ১৯৭ লিটার
  • ফ্রিজেরের আয়তন (ডিপ ফ্রিজ) –  ১০৩ লিটার
  • দরজার ধরন – গ্লাস ডোর
  • পাওয়ার ভোল্টেজ – 220~240 / 50Hz
  • ইন্টেরিয়র লাইট –  এলইডি লাইট
  • কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি – ১০ বছর
  • সার্ভিস ওয়ারেন্টি – ৩ বছর

মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা – মাইওয়ান ৩০৫ লিটার ফ্রিজের দাম

আপনি যদি ঠিক করে থাকেন ৩০০ লিটারের ফ্রিজ কিনবেন তাহলে আমরা সাজেশন দিবো কিছুটা টাকা বাড়িয়ে একবারে ৩০৫ লিটার ফ্রিজ টি নেয়ার চেষ্টা করুন। ML – 305 Red Lotus এই ফ্রিজটি বর্তমানে বাজারে ৩১০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বড় ফ্যামিলির জন্য এই ফ্রিজটি খুব ভালো একটি অপশন হতে পারে। চলুন এই ফ্রিজের মুল ফিচারগুলো দেখে নেয়া যাক

ML 305 Red Lotus 500x500 1
ML – 305 Red Lotus
  • মডেল – ML – 305 Red Purple
  • ব্র্যান্ড –  My Life
  • দাম – ৩১,০০০ টাকা
  • কালার – রেড পার্পল
  • গ্রস আয়তন – ৩৩১ লিটার
  • নেট আয়তন –  ৩০৫ লিটার
  • রেফ্রিজারেটরের আয়তন – ২০৯ লিটার
  • ফ্রিজেরের আয়তন (ডিপ ফ্রিজ) –  ৯৬ লিটার
  • দরজার ধরন – গ্লাস ডোর
  • পাওয়ার ভোল্টেজ – 220~240 / 50Hz
  • ইন্টেরিয়র লাইট –  এলইডি লাইট
  • কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি – ১০ বছর
  • সার্ভিস ওয়ারেন্টি – ৩ বছর

মাইওয়ান ফ্রিজ কিস্তিতে কেনার নিয়ম

আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার পছন্দের ফ্রিজটি নিকটস্থ মাইওয়ান শো রুম থেকে কিস্তিতে কিনতে পারেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার নির্দিষ্ট ব্যাংক একাউন্ট অথবা কার্ড থাকতে হবে। সাধারনত মাইওয়ান বাংলাদেশের স্বীকৃত প্রায় সকল ব্যাংক এর কার্ড গ্রহন করে থাকে। এছাড়া আপনি চাইলে ভিসা বা মাস্টার কার্ডের মাধ্যমেও কিস্তিতে ফ্রিজ কিনতে পারেন।

৬ মাস থেকে শুরু করে ৫ বছর মেয়াদি বিভিন্ন স্কিম রয়েছে মাই ওয়ানের শোরুমে। এছাড়াও ঈদ ও বিভন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে মাইওয়ান ভালো ছাড় দেয়ার চেষ্টা করে। তাই আপনি চাইলে নিকটস্থ মাইওয়ানের শোরুমে গিয়ে পছন্দের ফ্রিজ টি কিস্তিতে কিনে নিতে পারেন। এছাড়া বিস্তারিত জানতে মাইওয়ান ওয়েব সাইট ভিজিট করুন এখান থেকে।

ফ্রিজ ক্রয়ের পূর্বে যা দেখে নিবেন

বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির ফ্রিজ পাওয়া যায় আর আমরা ফ্রিজ ক্রয়ের পূর্বে বুঝে উঠতে পারি না কোন ফ্রিজটা ক্রয় করা উচিত। তাই আমরা চেষ্টা করবো কিছু গুরুত্বপূর্ন টিপস শেয়ার করছে যেনো আপনি নতুন ফ্রিজ ক্রয়ের সময় সাবধান হোন এবং ভালো ফ্রিজটি চিনে নিতে পারেন।

  1. কোম্পানি – ফ্রিজ ক্রয়ের পূর্বে ফ্রিজের ব্র্যান্ড বা কোম্পানি অবশ্যই দেখে নেয়া উচিত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় নাম না জানা কোন এক কোম্পানির ফ্রিজ ক্রয় করে নিয়ে আসলেন তারপর কয়দিন পর পর ই নষ্ট হওয়ার ঝামেলা চলতে থাকে। তাই ফ্রিজ ক্রয়ের পূর্বে ফ্রিজের ব্র্যান্ড অবশ্যই দেখে নিবেন।
  2. ওয়ারেন্টি – সাধারনত ভালো কোম্পানি গুলো তাদের ফ্রিজের সাথে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। আর ওয়ালটন কোম্পানি তাদের পন্যের সাথে ১২ বছরের ওয়ারেন্টি দেয়। তাই ফ্রিজ ক্রয়ের পূর্বে অবশ্যই ওই কোম্পানির ওয়ারেন্ট সিস্টেম দেখে নেয়া উচিত।
  3. কাস্টমার সার্ভিস – ফ্রিজ ক্রয়ের সময় সার্ভিস ওয়ারেন্টি পাবেন। অর্থাৎ ফ্রিজ নষ্ট হয়ে গেলে কোম্পানি থেকে লোক এসে ঠিক করে দিয়ে যাবে। কিন্তু কত দ্রুত ঠিক করে দিবে সেটা আপনাকে যাছাই করতে হবে।

মন্তব্য

এতক্ষন আমরা মাইওয়ান ফ্রিজের মুল্য তালিকা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি এই ব্লগটি কিছুটা হলেও আপনার উপকারে আসবে। ব্লগটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

ইজি টেকিং - একটি বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে বাংলা ভাষায় শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলা ভাষায় সবার মাঝে সঠিক তথ্য পৌছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Leave a Comment