ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা | ঢাকার সেরা ১০ টি স্কুল (সরকারি ও বেসরকারি)

ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা

আসসালামু আলাইকুম। যেকোন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতে কি করবে তা নির্ভর করে তার পড়াশুনার উপরে। একজন গার্ডিয়ান হিসেবে বাবা মা যদি তার সন্তানকে ভালো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে পারেন সেক্ষেত্রে ভালো পরিবেশ ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সে নিজের ভবিষ্যত গড়ে নিতে পারে। আজকে আমরা মূলত ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা নিয়ে আলোচনা করবো। এখানে মুলত মাধ্যমিক স্কুল নিয়ে আলোচনা করা হবে অর্থাৎ এসএসসি লেভেলের জন্য সেরা কিছু স্কুল সাজেস্ট করা হবে।

আমরা এই লিস্টলি করার সময় শুধুমাত্র বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্ট নয় বরং সব দিক বিবেচনা করার চেষ্টা করেছি। তবে একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে যে, এই তালিকার বাইরেও ভালো স্কুল আছে। আমরা শুধু কিছু ভালো স্কুলের তালিকা করছি যেনো গার্ডিয়ানরা কিছুটা আইডিয়া পান।

ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা
ছবি: ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা

কেন ভালো স্কুল জরুরী

অনেকে গার্ডিয়ানরা মনে করেন ছেলে মেয়েকে তো চাইলেই বিভিন্ন কোচিং কিংবা প্রাইভেট টিউটর রেখে পড়াতে পারি তাহলে কেনো ভালো স্কুলেই পড়তে হবে। এর উত্তর হচ্ছে, খারাপ স্কুলে পড়লে যে কেউ ভবিষতে ভালো কিছু করতে পারবে না বিষয় টা এমন নয় কিন্তু ভালো স্কুল গুলোতে বাছাই করা মেধাবীরা ভর্তি হয় এবং সেখানে একটি সুন্দর ও সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকে। যা একজন ছাত্রের উন্নতিতে অনেক উপকার করে। তাই ভালো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে পারেন সেক্ষেত্রে সে ভালো শিক্ষক, ভালো সহপাঠী ও ভালো শিক্ষা পরিবেশ পাবে।

ঢাকার সেরা ১০ টি স্কুল

ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা করতে গিয়ে আমরা বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্টের পাশাপাশি পড়াশুনার পরিবেশ ও শিক্ষকের মান সব কিছু ই বিবেচনা করেছি। চলুন তাহলে ঢাকার সেরা ১০ টি স্কুল দেখে নেয়া যাক।

১০। গবনর্মেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল: ১৯৬৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় গবনর্মেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলটি। এটি ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় অবস্থিত। এটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ট্রেনিংরত শিক্ষকদের দক্ষ করার জন্য। প্রায় প্রতিবছর ই পাশের হার ১০০% সহ এসএসসি রেজাল্টের দিকে ঢাকা বোর্ডে শীর্ষ স্থানে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

এছাড়াও শিক্ষার মান, বড় খেলার মাঠ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগার, ও মসজিদ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে নিশ্চিত করবে। তবে এই স্কুল নটরডেম কলেজের মত শুধুমাত্র ছাত্রদের জন্য। অর্থাৎ মেয়ে শিক্ষার্থীর জন্য নয় এটি। এছাড়াও এখানে ক্লাস ওনান থেকে এসএসসি পর্যন্ত পড়ার সুযোগ রয়েছে। তাই আপনি যদি আপনার সন্তানদের জন্য ভালো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুজে থাকেন তাহলে এই স্কুলটি আপনার জন্য ভালো একটি অপশন হতে পারে।

০৯। ভিকারুন্নেছা নূন স্কুল: ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকার বেইলি রোডে অবস্থিত ছাত্এরীদের একটি স্বনামধন্য স্কুল। ১৯৫২ সালে তৎকালীন পাকিস্থানের পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশের (বর্তমানে স্বাধীন বাংলাদেশ) গভর্নর ফিরোজ খান নুনের সহধর্মিনী ভিকার উন নিসা নূন ঢাকায় মেয়েদের জন্য একটি আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুরু করার লক্ষ্যে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন ও তার নামানুসারেই স্কুলটির নামকরণ করা হয়েছে।

বর্তমানে শুধুর ঢাকার ভেতরেই নয় বরং সমগ্র বাংলাদেশে মেয়েদের সতন্ত্র স্কুল গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম ও সেরা একটি স্কুল। ভালো শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি এই স্কুলে রয়েছে বিভিন্ন ক্লাব যার মাধ্যমে আপনার সন্তানের মেধা বিকাশ হবে বলে আশা করা যায়। যেহেতু এখানে শুধু মাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হতে পারে সেক্ষেত্রে আপনার কন্যার জন্য এটি আদর্শ একটি পছন্দ হতে পারে।

০৮। শহীদ পুলিশ স্মৃতি স্কুল: ঢাকার মিরপুর – ১৪ তে অবস্থিত একটি আদর্শ বিদ্যাপিঠ এই স্কুলটি। স্বাধীনতার প্রথম প্রহরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে প্রতিরোধযুদ্ধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের পুণ্য স্মৃতির স্মরণে মিরপুরে শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার দুই বছর পর অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান পুলিশ বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মনিরুল ইসলাম। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োজিত আছেন জাকির হোসেন।

এই স্কুলটি প্রায় ৩ একর জমির উপরে অবস্থিত যা পড়াশুনার পাশাপাশি আপনার সন্তানের মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করবে। এছাড়া এই স্কুলের রয়েছে নিজস্ব ৫ টি অত্যাধুনিক ল্যাব যা নিশ্চিত করবে হাতে কলমে শিক্ষা। ৫ টি ল্যাব হচ্ছে কম্পিউটার ল্যাব, গনিত ল্যাব, পদার্দবিদ্যা ল্যাব, রসায়ন ল্যাব, জীব বিজ্ঞান ল্যাব। ঢাকা বোর্ডে রেজাল্টের দিকে সেরা ১০ থাকা স্কুলটি অবশ্যই আপনার পছন্দের তালিকায় থাকবে আশা করি।

০৭। মতিঝিল গভ: বয়েজ হাইস্কুল: মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন এর পাশে আউটার সার্কুলার রোড সংলগ্ন দক্ষিণ শাহজাহানপুর মোড়ে অবস্থিত। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হলেও মূলত মূল ব্যবস্থাপনায় ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পরিচালিত হয় বলে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ। বিদ্যালয় প্রভাতি এবং দিবা -এই দুই শাখায় পরিচালিত হয়।

ঢাকাস্থ যেকয়টি সরকারি বিদ্যালয় আছে তার মধ্যে হাতেগুনা কয়েকটি স্কুল ই বর্তমানে অন্যান্য বিদ্যালয়ের সাথে টক্কর দিতে পারবে। বর্তমানে ঢাকার ভেতর যে কয়টি সরকারি বিদ্যালয় রয়েছে মতিঝিল গভ: বয়েজ হাইস্কুল তারমধ্যে অন্যতম সেরা একটি বিদ্যাপীঠ।

০৬। সেন্ট সোসেফ হাইস্কুল: সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য বিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয়। ১৯৫৪ সালে মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকরা এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। তখন এর নাম ছিল “সেন্ট যোসেফ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল”। এর প্রথম ক্যাম্পাস ছিলো পুরান ঢাকার নারিন্দায়, পরে এটি ১৯৬৫ সালে ঢাকার আসাদ এভিনিউতে স্থানান্তরিত করা হয়।

ঢাকার নটরডেম কলেজের নাম হয়তো আপনার সকলে শুনেছেন। সেন্ট যোসেফ হাইস্কুলে পাঠদান পদ্ধতি কিছুটা নটরডেম কলেজের আদলে অনুসরন করা হয়। তাই পাঠদান কোয়ালিটি ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। এছাড়াও প্রতিবছর এসএসসিতে ১০০% পাশের রেকর্ড রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

০৫। মনিপুর হাইস্কুল: মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মিরপুরে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ। এটি বাংলাদেশের বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি মাধ্যম ও উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় প্রায় ৩৫ হাজারের অধিক ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ন করছে।

বেসরকারি স্কুল গুলোর মধ্যে মনিপুর স্কুলটি অন্যতম এটা আমাদের কথা নয় এটা খোদ ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান স্বীকার করেছেন। বিশাল বড় ক্যাম্পাস, বিশাল একাডেমিক ভবন ও অজস্র শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে মনিপুর হাইস্কুল টি হতে পারেন আপনার সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষার পরিবেশ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি যদি আপনার বাসার কাছে হয় তাহলে অবশ্যই এটি কে মাথায় রাখতে পারেন।

০৪। বীরশ্রেষ্ট নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ: বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ (BNMPC) (সাবেক রাইফেলস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ) পিলখানার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর সদর দপ্তরে অবস্থিত একটি বাংলাদেশী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ। প্রতিষ্ঠাকালে মূলত বিজিবির সদস্যদের সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে স্থাপিত হলেও বর্তমানে এখানে সকলেই পড়াশোনা করতে পারে।

এই স্কুলের একটি বিশেষ দিক হচ্ছে এই নিয়মতান্ত্রিকতা। অর্থাৎ এখানে সবকিছু একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম ফলো করে করা হয় যা আপনার সন্তানের জন্য ভবিষ্যতে ভালো একটি শিক্ষা হবে বলে আশা করি। এছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষা লাভের ক্ষেত্রের সফলতার পরিচয় দিচ্ছে।

০৩। হলিক্রস গার্লস হাইস্কুল: হলিক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় বাংলাদেশের নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটিকে অনেকে মেয়েদের নটরডেম বলে থাকে কারন পাঠদানের ক্ষেত্রে হলিক্রস নটরডেল কলেজের সিস্টেম ফলো করে। বিদ্যালয়টি ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় অবস্থিত। এখানে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য তিন বিভাগেই শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। বিদ্যালয়ের ২ টি শিফটে প্রায় ২০০০ জন ছাত্রী রয়েছে। শিক্ষাবছর সাধারনত জানুয়ারি থেকেি শুরু হয়।

এটি মূলত মেয়েদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৫১ সালে মারী ফ্রান্সলিয়া ও রোজ বার্নার্ড মাত্র দুইজন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে মেয়েদের জন্য ঢাকার ভেতর ভিকারুন্নেসা ও হলিক্রসকে মানুষ এক নামে চিনে।

০২। আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল: আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত “ঢাকা সেনানিবাস” এলাকায় অবস্থিত একটি স্বনামধন্য উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত। ইংল্যান্ডের আদি পাবলিক স্কুল ‘ইটন’ ও ‘হ্যারো’ এর আদর্শে এটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজটি মূলত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সন্তানদের জন্য হলেও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের সন্তানরাও এতে পড়াশোনা করতে পারে।

যেহেতু সেনাবাহিনি দ্বারা পরিচালিত তাহলে এর নিয়ম কানুন কেমন হতে পারে তা হয়তো বুঝতে পারছেন। এখান থেকে প্রতিবছর যেসব শিক্ষার্থী বের হইয় তারা ঢাকার বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলতার সাথে চান্স পেয়ে পড়াশুনা করে।

০১। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ: রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ঢাকার উত্তরা এলাকায় অবস্থিত একটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ১৯৯৪ সালে স্থাপিত এই বিদ্যালয়টি ইতমধ্যে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত হয়েছে। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া যথেষ্ট প্রতিযোগিতাপূর্ণ। ভর্তি হতে আগ্রহী প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

নবম শ্রেনীর ভর্তি প্রক্রিয়া জে এস সি পরীক্ষার এবং একাদশ শ্রেনীর ভর্তি প্রক্রিয়া এস এস সি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ভর্তি পরীক্ষা সাধারণত ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়, নবম শ্রেণীর ভর্তি প্রক্রিয়া জে এস সি পরীক্ষার এবং একাদশ শ্রেণীর ভর্তি প্রক্রিয়া এস এস সি পরীক্ষার ফল প্রকাশের কিছুদিন পরেই শুরু হয়। তবে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে মাঝে মাঝে ৭ম ও ৮ম শ্রেণীতে ও ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়।

ভালো স্কুলের বৈশিষ্ট

আপনাদের সুবিধার জন্য আমরা চেষ্টা করেছি সব দিকে বিবেচনায় এনে ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা করে দিতে। কিন্তু এই স্কুল গুলোতে চান্স পাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার যেহেতু সবার ই ইচ্ছা থাকে এইসব স্কুলে পড়ানোর। যদি এমন হয় আপনার সন্তান ঢাকার সেরা ১০ টি স্কুল এ চান্স পায়নি তারমানে এই না যে পড়াশুনার সুযোগ শেষ। এছাড়াও এলাকা ভিত্তিক অনেক স্কুল আছে যারা খুব ভালোভাবে চেষ্টা করে ভালো মানের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে। চলুন আমরা ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি বৈশিষ্ঠ দেখে নেই যেনো আপনি বুঝতে পারেন স্কুলটি কেমন।

  • ভালো স্কুলের প্রধান একটি বৈশিষ্ঠ হচ্ছে এর বড় একটি খেলার মাঠ থাকবে যা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সাহায্য করবে।
  • ভালো স্কুল গুলোতে অবশ্যই ল্যাব সুবিধা থাকবে। যেমন রাসায়ন ল্যাব, ফিজিক্স ল্যাব ইত্যাদি। যাতে করে ছেলে মেয়েরা হাতে কলমে শিখতে পারে
  • শিক্ষকরা কেমন তা যাছাই করুন। ভালো স্কুলের শিক্ষকরা বন্ধুত্বপূর্ন ও উচ্চ শিক্ষিত হবে।

ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা

উপরে আমরা ঢাকার সেরা স্কুলের তালিকা বের করার চেষ্টা করেছি। তবে এই তালিকার বাইরের প্রতিষ্ঠানগুলো খারাপ এমন নয়। শিক্ষার্থী চাইলে যেকোন রকম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই ভালো ফলাফল করে বের হতেপারে। আশা করছি এই ব্লগটি আপনার ভালো লেগেছে। পরবর্তী ব্লগ পড়ার অনুরোধ জানিয়ে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। ধন্যবাদ

ইজি টেকিং - একটি বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে বাংলা ভাষায় শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলা ভাষায় সবার মাঝে সঠিক তথ্য পৌছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Leave a Comment