জিয়ারা ভিসা কি, সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম, জিয়ারা ভিসা খরচ

জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম

আসসালামুআলাইকুম। যে সকল প্রবাসী ভাইয়েরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে থাকেন তাদের অনেকেই পরিবারকে সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। সৌদি প্রবাসীদের জন্য সে দেশের সরকার জিয়ারা ভিসার মাধ্যমে পরিবারকে সৌদি আরব নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা রেখেছে। কিন্তু অনেকেই জানেনা জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম। নিজে আবেদন করবেন নাকি এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। জিয়ারা ভিসা আবেদন করতে কত টাকা লাগবে এবং বাংলাদেশে জিয়ারা ভিসা প্রসেসিং কিভাবে করবে। আশা করছি আমাদের আজকের ভক্তি পড়ল এই সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম
ছবি – জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম

সৌদি জিয়ারা ভিসা বা ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা কি, সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম, জিয়ারা ভিসা খরচ নিয়ে আলোচনা থাকবে আজকে। আপনি চাইলে কম খরচে নিজেই ভালো করে ভেবে নিয়ে আসতে পারবেন অথবা এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। সবকিছু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা থাকবে আজকের ব্লগে।

জিয়ারা ভিসা কি

যদিও আমাদের আজকের মূল আলোচনার বিষয় জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম কিন্তু প্রথমে আমাদের জিয়ারা ভিসা সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারনা থাকা উচিত। জিয়ারা ভিসা কি। আপনারা সকলেই জানেন প্রবাসীদের জন্য সৌদি সরকারের বিভিন্ন ক্যাটাগরির ও বিভিন্ন ধরনের বিচার ব্যবস্থা রেখেছেন। সৌদি প্রবাসীদের জন্য এক বিশেষ ধরনের ভিসা হচ্ছে এই জিয়ারা ভিসা। জিয়ারা ভিসা মাধ্যমে যেকোনো সৌদি প্রবাসী তার পরিবারের সদস্যকে সৌদি আরবে আসতে পারবেন। যদিও জিয়ার মধ্যে অনেক প্রকাশিত হয়েছে যা আমরা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করব।

তবে সংক্ষেপে বলতে গেলে জিয়ারা ভিসা এমন এক বিশেষ ধরনের ভিসা যার মাধ্যমে যে কোন সৌদি প্রবাসী তার পরিবারের সদস্যদেরকে সৌদি আরবে নিয়ে যেতে পারবেন। তবে একটা জিনিস পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে এটি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নয়। এই বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের কোনরকম চাকরি বা কাজকরতে পারবেন না। শুধুমাত্র ভ্রমণ উদ্দেশ্যেযেতে হবে।

জিয়ারা ভিসা কত প্রকার

যেমনটা আমরা বলেছি সৌদি জিয়ারা ভিসার মধ্যে কিছু প্রকারভেদ রয়েছে যা আমরা এখন আলোচনা করবো। সৌদি জিয়ারা ভিসা মূলত দুই প্রকার 

  1. ভিজিট ফ্যামিলি ভিসা
  2. পার্মেনেন্ট বা স্থায়ী ফ্যামিলি ভিসা

ভিজিট ফ্যামিলি ভিসা – ভিজিট ফ্যামিলি ভিসা হচ্ছে যে ভিসার মাধ্যমে আপনি ফ্যামিলি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঘুরাতে নিয়ে আসবেন। অর্থাৎ আপনার মূল উদ্দেশ্য যদি হয় নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য ফ্যামিলিকে সৌদি আরব নিয়ে আসা এবং পুঃনরায় আবার বেশে পাঠিয়ে দেয়ার তাহলে এই ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসা পাওয়া তুলনামূলক সহজ ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাত্র ৫ দিনের ভিসা এপ্রুভ হয়ে যায়।

স্থায়ী ফ্যামিলি ভিসা – আপনার যদি আমার উদ্দেশ্য হয় ফ্যামিলিকে স্থায়ীভাবে সৌদি আরব নিয়ে আসা তাহলে এই ভিসারজন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এ ভিসার জন্য আবেদন করার অনেকগুলো নিয়ম আছে এবং এটাই পাওয়া তুলনামূলক কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। যেহেতু আপনি পরিবারকে স্থায়ীভাবে সৌদি আরব নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছেন তাই সৌদি সরকার আপনার সম্পূর্ণ ব্যাকগ্রাউন্ড ভালো ভাবে চেক করবেন।

আমরা মূলত বিবির ফ্যামিলি ভিসা অস্থায়ী জিয়ারা ভিসা নিয়ে আলোচনা করব। সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম, কতদিন সময় লাগবে এবং মোট কত খরচ হবে তা বিস্তারিত জানতে পারবেন।

সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম

যেমনটা আমরা বলেছি স্থায়ী ফ্যামিলি ভিসা আবেদনের নিয়ম এই পোষ্টে থাকবে না। এই পোষ্টে আমরা মূলত সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। জিয়ার ভিসার জন্য আপনি মূলত দুইভাবে আবেদন করতে পারেন।

  1. নিজে কপিল হয়ে আবেদন করতে পারেন।
  2. অথবা এজেন্সি বা মকতবের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।

নিজে কপিল হয়ে আবেদন করুন – আপনি চাইলে নিজে কপিল হয়ে জিয়ারা ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে মাত্র ৩৫ রিয়ালের বিনিময়ে একটি আবেদনপত্র কিনতে হবে এবং আপনার বৈধ ডকুমেন্ট ও আকামা জমা দিয়ে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে বর্তমানে অনলাইনে আয় ফ্যামিলি ভিসার জন্য আবেদন করা যায়। তবে নিজে আবেদন করতে চাইলে আপনি যে কোম্পানির মালিকের আন্ডারে কাজ করেন তার সাথে আলোচনা করে নিতে হবে। কেননা ভেরিফিকেশনের জন্য আপনি যে মালিক আন্ডারে কাজ করেন তার সাহায্য প্রয়োজন হবে।

আপনার মালিক বা কোম্পানির যদি জিয়ারা ভিসার জন্য আপনাকে সাহায্য করতে রাজি না থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি কোন মক্তব বা এজেন্সির মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করেন – যেমনটা আমরা বলেছি নিজে আবেদন করার কিছুটা সময় সাপেক্ষ ঝামেলার কাজ মনে হতে পারে। আপনি যদি কোনো ঝামেলায় জড়াতে না চান সে ক্ষেত্রে কোন এজেন্সির মাধ্যমে জিয়ারা ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। সাধারণত এজেন্সির মাধ্যমে সম্পূর্ন আবেদন করতে খরচ হবে ২০০ রিয়ালের মত। এক্ষেত্রে আপনাকে আর কপিলের অনুমতির ঝামেলায় জড়াতে হবে না। তারা খুব সহজেই সব ব্যবস্থা করে দিবে।

জিয়ারা ভিসা আবেদনের জন্য কি কি লাগে

জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম
ছবি – জিয়ারা ভিসা আবেদনের জন্য কি কি লাগে

উপরে আমরা সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম নিয়ে কিছুটা জেনেছি। এখন আমরা দেখবো জিয়ারা ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। জিয়ারা ভিসা আবেদনের জন্য কি কি লাগে এর উত্তর কিছুটা নির্ভর করবে আপনি পরিবারের কোন সদস্যকে নিয়ে আসতে চান তার উপর।

বাবা মা কে আনতে চাইলে –  আপনি যদি বাবা-মাকে সৌদি জিয়ারা ভিসা মাধ্যমে নিয়ে আসতে চাইছে কিন্তু তেমন কোনো ঝামেলা করতে হবে না। শুধুমাত্র আপনার বাবা মায়ের পাসপোর্ট এর নামের সাথে আপনার পাসপোর্টে দেয়া বাবা মায়ের নাম মিল গেলে ঝামেলা শেষ। এছাড়া সাধারন ভিসা করতে যেসব কাগজপত্র লাগে তা থাকলেই হবে হবে।

স্ত্রীকে আনতে চাইলে – বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রবাসী ভাইয়েরা তাদের স্ত্রী সন্তানকে জিয়ারা ভিসার মাধ্যমে নিয়ে যান। স্ত্রীকে জিয়ারতের মাধ্যমে নিয়ে যেতে চাইলে কাবিননামা মূল কপি করতে হবে। অর্থাৎ যাকে নিয়ে গেছে স্ত্রী তা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হয়। এছাড়া হিস্ট্রি পাসপোর্ট এর মেয়াদ কমপক্ষে দুই মাস অর্থাৎ ৬০ দিন থাকতে হবে।

সন্তানকে জিয়ারা ভিসা মাধ্যমে জানতে চাইলে – আপনি যদি সৌদি জিয়ার অফিসের মাধ্যমে আপনার সন্তানকে নিয়ে আসতে চান সে ক্ষেত্রে তার জন্ম নিবন্ধন কার্ড দেখাতে হবে। অর্থাৎ যাকে নিয়ে আসছেন সম্পর্ক এসেছে আপনার সন্তান তা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হবে।

ভাই বোনকে জিয়ারা ভিসা মাধ্যমে নিয়ে আসতে চাইলে – আপনি যদি জিয়ারতের মাধ্যমে আপন ভাই বোনকে নিয়ে আসতে তাদের পাসপোর্টে পিতা মাতার নামঃ আপনার পাসপোর্ট এর পিতা মাতার নাম এর সাথে মিলতে হবে। এছাড়া ভাই বোনকে জিয়ারা ভিসার মাধ্যমে নিয়ে আসতে চাইলে সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম। এর বেশি হলে ভিসা না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

জিয়ারা ভিসার মাধ্যমে কে কে সৌদি আসতে পারবেন

অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চান একজন প্রবাসী সৌদি জিয়ারা ভিসার মাধ্যমে তার কোন কোন আত্মীয়কে বিদেশ নিয়ে আসতে পারবেন। এক্ষেত্রে মূলত নিয়ে নিয়ম হচ্ছে  আপনার প্রথম রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের নিয়ে আসতে পারবেন। এখন প্রশ্ন আসতে পারে প্রথম রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় কারা।

  • বাবা-মা
  • স্ত্রী
  • সন্তান
  • ভাই বোন

উপরের এই তালিকায় তাদের নাম উল্লেখ করেন শুধুমাত্র তাদেরকেই এর মাধ্যমে আসতে পারবেন। যদিও অনেকে শ্বশুর শ্বাশুড়ীর কথা বলেন কিন্তু শ্বশুর শাশুরিকে জিয়ারা ভিসায় সৌদি নিয়ে আসা কিছুটা কষ্টকর ও বেশিরভাগ সময় ভিসা পাওয়া যায় না।

জিয়ারা ভিসা খরচ

উপরে আমরা সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম নিয়ে বিস্তারতি আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে জিয়ারা ভিসা খরচ কেমন। সৌদি জিয়ারা ভিসা খরচ বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।

যদি আপনি নিয়ে কপিল হয়ে অথবা আপনার কপিলের মাধ্যমে আবেদন করেন সেক্ষেত্রে আবেদনের সময় আপনার মাত্র ৩৫ রিয়াল খরচ হবে। এর বাইরে অতিরিক্ত আর কোন খরচ নেই। তবে খেয়াল রাখতে হবে এই ক্ষেত্রে আপনি নিজে যেহেতু কপিল হবেন তাই আপনার আকামার মেয়াদ কমপক্ষে ৯০ দিন থাকতে হবে।

আর যদি নিজে আবেদন করা ঝামেলা মনে হয় তাহলে কোন মকতব বা ভিসা প্রোসেসিং এ সাহায্য করে এমন কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তারা আপনাকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাহায্য করবে। এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা আবেদন করলে ২০০ থেকে ২৫০ রিয়াল খরচ হতে পারে। আপনার এজেন্সী ধরনের উপর নির্ভর করে ভিসা আবেদনের খরচ কিছুটা কম বেশি হতে পারে।

এ এছাড়া সৌদি আরব থেকে ভিসা আবেদন সম্পন্ন হয়ে গেলে বাংলাদেশ ভিসা প্রসেসিং করতে 20 থেকে 25 হাজার টাকা খরচ হতে পারে। বাংলাদেশের অবস্থিত সৌদি এম্বাসিতে কিছু নির্দিষ্ট কাগজ পত্র জমা দিয়ে ভিসা স্ট্যাম্পিং করতে হয়। এক্ষেত্রে আপনার সর্বোচ্চ খরচ হবে ২০ হাজার টাকার মত। তবে কিছু কিছু এজেন্সি আছে অনেক টাকা চেয়ে বসে। এই ব্যাপারে আপনাকে সচেতন হতে হবে।

সৌদি জিয়ারা ভিসা কত দিন সময় লাগে

ইতোপূর্বে সৌদি জিয়ারা ভিসার জন্য আবেদন করলে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ভিসা অনুমোদন দিয়ে দিত সৌদি সরকার। তবে করনা পরবর্তী সময়ে ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার উপর কিছু নিয়মকানুন আরোপ করেছে সৌদি সরকার। অনেকেই দাবি করছেন বর্তমানে ভিসা হাতে পেতে ১ মাসের মত সময় লেগে যায় আবার অনেকের মতে বর্তমানে জিয়ারা ভিসা দিতে চাচ্ছেনা সৌদি সরকার।

তবে আমরা যতটুকু খবর নিয়ে জানতে পেরেছি জুলাই  ২০২২ সাল থেকে পুনরায় জিয়ারা ভিসা আগের মত দিচ্ছে সৌদি সরকার। তবে আমাদের সাজেশন থাকবে হাতে সময় নিয়ে জিয়ারা ভিসার জন্য আবেদন করুন। কেননা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১৫ দিন থেকে ২ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে উপরে আমরা জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম গুলো বলেছি তা সঠিকভাবে মেনে চললে দ্রুত পেয়ে যাবেন।

সৌদি জিয়ারা ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর উপায়

সাধারণত সৌদি জিয়ারা ভিসার মেয়াদ তিন মাস অর্থাৎ ৯০ দিন পর্যন্ত থাকে। নব্বই দিন পর আপনি পুনরায় ১০০  রিয়াল ব্যাংকে জমা দিয়ে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রথমেই কোন একটি এজেন্সির মাধ্যমে ৭০ রিয়ালের ইন্সুরেন্স করাতে হবে এবং এবং ইন্সুরেন্স হয়ে গেলে অনলাইনে ১০০ রিয়াল জমা দিয়ে খুব সহজেই পুঃরায় ভিসার মেয়াদ ৩ মাস বাড়িয়ে নিয়ে পারবেন। অর্থাৎ ভিসার মেয়াদ ৩ মাস বাড়াতে আপনার মোট খরচ হবে ১৭০ রিয়াল।

তবে কারো কারো ক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ ৬ মাসের বেশি বাড়ানো যায় না। ভিসার মেয়াদ বাড়ানো না গেলে আপনার আত্মীয়কে বাংলাদেশের পাঠিয়ে দিতে হবে। তবে আপনি চাইলে একটু ভিন্ন উপায়ে সৌদি ভিসার মেয়াদ অতিরিক্ত ৩ মাস বাড়াতে পারবেন। জিয়ারা ভিসার মেয়াদ ৩ মাস বাড়াতে চাইলে এই ব্লগ পোষ্টটি পড়ুন। এই পোষ্টে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি কিভাবে বৈধ উপায় কোন ঝামেলা ছাড়াই জিয়ারা ভিসার মেয়াদ তিন মাস বাড়াতে পারবেন।

সৌদি জিয়ার ভিসা আপডেট

করোনার পর সৌদি জিয়ারা ভিসা অনুমোদন করা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ সৌদি এম্বাসি নতুন করে আর কোন জিয়ারা ভিসা স্টাম্পিং করছিল না। তবে আমাদের তথ্য অনুযায়ী জুলাই ২০২২ সাল থেকে পুনরায় জিয়ারা ভিসা দিচ্ছে সৌদি সরকার। আপনি যদি আপনার পরিবারকে জিয়ারা ভিসার মাধ্যমে সৌদি নিয়ে যেতে চান তাহলে আজকেই আবেদন করুন।

উপরে আমরা জিয়ারা ভিসা কি, সৌদি আরব জিয়ারা ভিসা আবেদনের নিয়ম, জিয়ারা ভিসা খরচ নিয়ে আলোচনা করেছে। আশা করছি আপনাদের ভাল লেগেছে। আমরা নিয়মিত ওয়েবসাইটে প্রবাসী ভাইদের জন্য বিভিন্ন টিপস এবং ট্রিকস পোস্ট করে থাকি। ভালো লাগলে ওয়েবসাইটের অন্যান্য ব্লগ গুলো পড়তে পারেন। ধন্যবাদ

ইজি টেকিং - একটি বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে বাংলা ভাষায় শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলা ভাষায় সবার মাঝে সঠিক তথ্য পৌছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Leave a Comment