কচি ডাব খাওয়ার উপকারিতা | ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার উপকারিতা । ডাবের পানি খাওয়ার উপকারিতা

কচি ডাব খাওয়ার উপকারিতা

আসসালামু আলাইকু। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আর আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি তো বন্ধুরা আজকে কচি ডাব খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

কচি ডাব খাওয়ার উপকারিতা
ছবি: কচি ডাব খাওয়ার উপকারিতা

ডাবের পানি 10 রোগের ঔষধ ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নতি ঘটাবে ডাবের পানি হল প্রাকৃতিক টোনার যা ত্বককে সংক্রমণ থেকে বাঁচানো পাশাপাশি সার্বিকভাবে স্কিনের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে সেই সঙ্গে ব্রণের প্রকোপ কমাতে এই প্রাকৃতিক উপাদান টি সাহায্য করে থাকে ওজন কমবে ডাবের পানির উপস্থিতি বেশ কিছু উপকারী এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজিম অতীতেও সাহায্য করে থাকে।

ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভালোভাবে হজম হয় যে শরীরের অন্তরে হজম না হওয়ার খাবার মেয়ে হিসাবে যার কোনো সুযোগই পায় না ফলে ওজন কমাতে শুরু করেন ডাবের পানি শরীরে লবণের মাত্রা ঠিক রাখে এর ফলে ওয়াটার রেডিসন বেড়ে গিয়ে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা হ্রাস পায় ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডাবের পানি।

ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার উপকারিতা

ডাবের পানিকে বলে হয় প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। অর্থাৎ ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে প্রচুর কার্যকরি ভূমিকা রাখে  ডাবের পানি। ১ চামচ কাচা হলুদ বাটা সাথে ২/৩ চামচ ফ্রেশ ডাবের পানি ও এক চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে মুখে মাখলে চেহারার শুষ্কতা দূর হবে। এছাড়া শুধু ডাবের পানি ও চেহারায় মাখলে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করবে।

মুখের রোদে পোড়া দাগ দূর করবে ডাবের পানিঃ অতিরিক্ত রোদের বের হওয়ার ফলে চেহারায় রোদে পোড়ার যে দাগ পড়ে তা খুব সহজের ডাবের পানি দিয়ে দূর করা যায়। এক কাপ ঠান্ডা পানির সাথে ২/৩ টেবিল চামচ ডাবের পানি মিশিয়ে নিয়মিত চেহারায় মাখলে রোদে পোড়া দাগ খুব সহজের দূর হয়ে যাবে।

দেখে নিন ডাবের পানি পান করার উপকারিতা গুলো

ভিটামিন-সি পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজের মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে পটাশিয়াম শরীরে লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখার মধ্য দিয়ে ব্লাড প্রেসার কে স্বাভাবিক রাখে তাদের পরিবার এই মরণ রোগীর ইতিহাস রয়েছে তাদের নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়া উচিত একই নিয়মে যদি রক্তচাপে ভোগে রোগীরাও মেনে চলেন তাহলে দারুন উপকার মিলে ব্লাড সুগার বেঁধে রাখবে 2012 সালে হওয়া জার্নাল ফুড এন্ড ফাংশন স্টাডিতে দেখা গিয়েছিল ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো এসিড এবং ডায়েটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্ম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী হবে রাইবোফ্লাভিন নিয়াসিন থিয়ামিন এবং থাইরক্সিন এর মত উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরে অনেক শক্তি এতটা বৃদ্ধি পেয়েছে জীবাণুরা কোনোভাবে ক্ষতি করার সুযোগসেই সঙ্গে ডাবের পানিতে উপস্থিতি এন্টিভাইরাল এবং এন্টিব্যাক্টেরিয়াল প্রপার্টিস নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে ও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শরীরে পানির ঘাটতি দূর হবে ডাবের পানি শরীরের অন্তরে প্রবেশ করামাত্র পানির ঘাটতি মেটাতে শুরু করে সেইসঙ্গে এতে উপস্থিত ইলেক্ট্রোলাইট কম্পোজিশন ডায়রিয়া বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরের ভিতরে খনিজের ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে সেই কারণেই তো গরমকালে ডাকে রোজ সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসা করা হারে টনে শরীরে বাজে কলিষ্টর বা এলডিএলের পরিমাণ কমিয়ে হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নতিতে ডাবের পানির কোন বিকল্প হয় না বললেই চলে শুধু তাই নয় ভালোভাবে কোন স্তরে পরিমাণ বাড়িয়ে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মাথা যন্ত্রণা দূরে থাকবে ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেশনের অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে দ্রুত এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে নিন এমনটা করলে দেখবেন নিমিষেই কষ্ট কমে যাবে। আসলে এই প্রাকৃতিক উপাদান টি তে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে শরীরে বয়স কমাবে খাতায়-কলমে বয়স বাড়লেও শরীরে বয়স কি ধরে রাখতে চান তাহলে আজ থেকেই ডাবের পানি খাওয়া শুরু করুন দেখবেন উপকার পাবেন কিডনি ফাংশন 1000 নতে করবে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ডাবের পানিতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম শরীরের অন্তরে প্রবেশ করার পর এক দিকে যেমন স্টেট কমায় তেমনি পেশির স্বচ্ছলতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে এখানেই শেষ নয় ডাবের পানিতে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁত এবং হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।আজ এ পর্যন্তই।

গর্ভাবস্থায় ডাবের পানির উপকারিতা

  • ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমানে ফাইভার আছে যা গর্ভাবস্থায় কোষ্টকাষ্ঠিন্ন দূর করে এবং পেট পরিষ্কার রাখে।
  • শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের পরিমান ব্যালেন্স করে কচি ডাব। এটা শুধু গর্ভাবস্থায় ই নয় যেকারো শরীরের জন্য খুবই কার্যকরী।
  • গর্ভাবস্থায় নিয়মিত কচি ডাব সেবনের ফলে মুখের রুচি বৃদ্ধি পায় ও গর্ভাবস্থায় বমি কম আসে।
  • ত্বকের প্রতিস্থাপকতা বাড়ায় অর্থাৎ নিয়মিত কচি ডাবের পানি পান করলে বাচ্চা জন্মের সময় কষ্ট কম হবে।
  • ডাবের পানিতে কোলেস্টেরল অনেক কম থাকে। তাই গর্ভাবস্থায় কচি ডাবের পানি পান করলে হজমে অসুবিধা হয় না।এবং শরীরের তরলের ঘাটতি পূরন করে।
  • বাচ্চা জন্মের পর মায়ের শরীরে ক্যালরি ও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরনে ডাবের পানি খুবই কার্যকরী।

ইজি টেকিং - একটি বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে বাংলা ভাষায় শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলা ভাষায় সবার মাঝে সঠিক তথ্য পৌছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Leave a Comment