চিরতা কিভাবে খায় । চিরতার রস খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা । চিরতা ক্যাপসুল

চিরতা কিভাবে খায়

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। আদিমযুগ থেকেই মানবজাতী গাছ গাছালির বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন রোগের প্রতিশেধক হিসেবে ব্যবহার করে আসতো। সময়ের সাথে ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির ফলে আমরা এখন ভেষজ চিকিৎসা ব্যবহার করি না বললেই চলে। আধুনিক চিকিৎসায় যেকোন রোগ ভেষজ চিকিৎসার তুলনায় দ্রুত ভালো হয়ে যায় এটা ঠিক তবে ভেষজ চিকিৎসার কোন পার্শ্বপতিক্রিয়া নেই যা আধুনিক চিকিতসার আছে।

আজকে আমরা মূলত প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসা একটি গাছ চিরতা নিয়ে আলোচনা করবো। চিরতা কি, চিরতা কিভাবে খায়, চিরতার রস খাওয়ার নিয়ম, চিরতার রস খাওয়ার উপকারিত ইত্যাদি থাকবে আমাদের আজকের আলোচনায়। চিরতা হাজারো রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। আমরা উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোগ নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো। আশা করছি পাঠকবৃন্দ ব্লগটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে চিরতার কিভাবে খায় এবং চিরতার রস খাওয়ার নিয়ম নিয়ে আর কোন সমস্যা থাকবে না। চলুন তাহলে আজকের মূল আলোচনা শুরু করা যাক।

চিরতা কিভাবে খায়
ছবি: চিরতা কিভাবে খায় [সংগৃহীত]

চিরতা গাছের পরিচিতি

চিরতা প্রাচীনকাল থেকেই ভেষজ চিকিৎসা শাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইতিহাস থেকে জানা যায় চিরতা গাছের উৎপত্তি ভারতবর্ষেই। এটি পূর্বে মূলত পাওয়া যেতো পর্বতের পাদ দেশে। সময়ের সাথে এটি নেপাল ভূটানের মত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এর কার্যকারিতা ও উপকারিতা জানাজানি হয়ে গেলে ১৮৩৯ সালের দিকে চিরতা ইউরোপ ও আফিকা মহাদেশের প্রবেশ করে এবং সেসকল অঞ্চলেও এর চাষ ব্যাপক আকার ধারন করে। পুর্বে মূলত রক্তে চিনির পরিমান কমানোর জন্য চিরতা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে হলেও পরবর্তীতে এর অন্যান্য উপকারিতা সম্পর্কে জানা যায়। গবেষনায় দেখা গেছে চিরতা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১০০ রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। নিচে আমরা চিরতা নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করবো। এবং আজকে আমাদের মূল আলোচনার বিষয় চিরতা কিভাবে খায় সেদিকে ও যাবো

চিরতা নামকরনের রহস্য

চিরতা বা চিরইতা কেন রাখা হলো এই ঔষধি গাছের নাম? এই কেনোর উত্তর অনেকের ই অজানা। তবে কিছু মতামত পাওয়া যায় যেমন কিছু কিছু পৌরানিক শাস্ত্রে উল্লেখ করা হয় “চিরকাল তিতা” হওয়ার প্রাচীন পন্ডিতগন এটাকে চিরতা বা চিরইতা বলে চিনতেন। চিরতা গাছকে বাংলায় চিরতা, হিন্দিতে চিরইতা বা চিরেইতা বলা হয়। এবং ইংরেজিতে এই গাছকে বলা হয় চিরেইত্তা (Chitretta)। এছাড়া আরবিতে এই গাছের নাম হচ্ছে কাসাবুজাজারেয়ী। নামকরনের কারন যাই হোক, এই গাছের গুনাবলী নিয়ে কারো কোন প্রশ্ন নেই। নিচে আমরা এই গাছের আরো গুনাগুন নিয়ে আলোচনা করবো। চলুন তাহলে এখন দেখে নেয়া যাক চিরতা কিভাবে খায় বা চিরতা খাওয়ার নিয়ম

চিরতা কিভাবে খায়

এতক্ষন আমরা চিরতা রসের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। এখন আমরা চিরতা কিভাবে খাযয় সে ব্যাপারে আলোচনা করার চেষ্টা করবো। চিরতা খাওয়ার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করার পূর্বে আগে জানতে হবে চিরতা গাছের কোন অংশ খাওয়া যায়। চিরতা গাছের কান্ড, লতা, পাতা, শিকড় সব ই বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যায় এবং সব অংশ ই উপকারি তবে চিরতা গাছের শিকড় সবচেয়ে উপকারি। ৫-৭ গ্রাম চিরতার কান্ড বা শিকড় ২৫০ মিলি গ্রাম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ১ ঘন্টার মত ভিজিয়ে রাখলেই যথেষ্ট। তবে এটা যেহেতু ভেষজ ঔষধ তাই একটু কম বেশি হয়ে গেলে কোন সমস্যা নাই। অর্থাৎ ৭ গ্রামের পরিবর্তে ১০ গ্রাম হয়ে গেলে সমস্যা নেই বা পানি ২৫০ মিলি গ্রাম এর পরিবর্তে ২০০ গ্রাম হলে কোন সমস্যা নেই।

অনেকেই প্রশ্ন করেন কিভাবে ৭ গ্রাম চিরতা ই আলাদা করবো। সেক্ষেত্রে আমরা বলবো বরাবর ৭ গ্রাম ই হতে হবে এমন কোন কথা নেই। আপনি আনুমানিক একটা নির্দিষ্ট পরিমান চিরতা নিতে পারেন সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবে না। নিচে আমরা লিস্টে করার মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করবো চিরতা কিভাবে খায়

  1. বাজার থেকে ২০ থেকে ৩০ টাকার চিরতা কিনে আনলেই যথেষ্ট।
  2. তারপর আনুমানি ৫-১০ গ্রাম চিরতা আলদা করুন। একটু কম বেশি হলেও সমস্যা নেই।
  3. চিরতা গুলো পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
  4. একটি পরিষ্কার পাত্রে আনুমানিক ২০০ থেকে ২৫০ মিলি লিটার পানি নিয়ে নিন।
  5. পরিষ্কার পানি দিয়ে ধোয়া চিরতাগুলো পাত্রে ভিজিয়ে রাখুন।
  6. আনুমানিক এক ঘন্টাপর চিরতা ভেজানো পাত্র থেকে পানি গুলো আলাদা করুন।
  7. দুই থেকে ৩ বারে সম্পূর্ন পানিটি পান করুন। আপনি চাইলে একবারেই সম্পূর্ন পানি খেতে পারেন। একবারে খেতে সমস্যা হলে কয়েক ধাপে সম্পূর্ন পানিটি পান করুন।

চিরতার রস খাওয়ার উপকারিতা

এতক্ষন আমরা চিরতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য ও চিরতা কিভাবে খায় তা বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেছি। এখন আমরা দেখবো চিরতা রস খাওয়ার উপকারিতা কি? যেমনটা আমরা উপরে বলেছি চিরতার রস খাওয়ার অনেকগুলো উপকারি দিক রয়েছে আমরা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

এলার্জি সমস্যা দূর করবে চিরতা: তিতা খাবার বরাবর ই এলার্জি রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। চিরতার রস এলার্জির সমস্যা সমাধানে ম্যাজিকের মত কাজ করে। যাদের এলার্জি জনিত সমস্যার কারনে চোখ চুলকানো, শরিরের বিভিন্ন অংশ চুলকানো, শরীর লাল হয়ে যাওয়া ও ফুলে যাওয়া, এলার্জি জনিত হাচি কাশি, এলার্জি জনিত সর্দি হওয়া এই ধরনের সমস্যা গুলো আছে তারা নিয়মিত চিরতার রস পান করলে আশা করা যায় আলার্জির সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। একগ্লাস পানিতে ১০ গ্রাম মত চিরতা রাতে ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে তা ২ থেকে ৩ বারে সম্পূর্ন পানি পান করুন। এভাবে কয়েক সপ্তাহ কন্টিনিউ করার চেষ্টা করুন। আশা করা যায় সমস্যা অনেকটাই সমাধান হয়ে যাবে। এই চিকিৎসা চলা কালিন এলার্জি হয় এমন খাবার যেমন চিংড়ি, গরুর মাংশ ইত্যাদি খাবার গ্রহন থেকে বিরত থাকুন।

জ্বর কমাবে চিরতার রস: আমাদের দেশে চিরতা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় জ্বরের প্রতিশেধক হিসেবে। সাধারনত সিজনাল যে জ্বর সর্দিগুলো হয়ে থাকে তা প্রতিরোধে চিরতার রস খুবই কার্যকরি। শরীরে জ্বরের প্রোকোপ দেখা দিলে আনুমানিক ৫ গ্রাম চিরতা ( পরিমান একটু কম বেশি হলেও সমস্যা নেই) পরিষ্কার পাত্রে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর দিনে তিনবার এইভাবে চিরতার ভিজানো পানি পান করুন। আশা করা যায় আপনার জ্বর ও সর্দির প্রোকোপ অনেকটাই কমে যাবে। বাজার থেকে চিরতা কেনার সমইয় চেষ্টা করুন ডাল বা শাখা না কিনে শিকড় কিনতে। কারন কার্যকারিতার দিক থেকে শিকড় বেশি উপকারি।

হাঁপানির মহৌষধ চিরতার রস: আমরা অনেকেই জানি এজমা বা হাঁপানির কোন চিকিতসা হয় না। অর্থাৎ হাঁপানির সমস্যা নিয়ন্ত্রন করা যায় কিন্তু কখনো ভালো হয় না। কথা কিছুটা সত্য। হাঁপানির বা এজমার সমস্যা কখনোই সম্পূর্ন ভালো হয় না। তবে অতিরিক্ত হাঁপানির সমস্যা থাকলে আপনি নিয়মিত চিরতার রস খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। গবেষনার দেখা গেছে প্রতিদিন চিরতার রস পান করলে হাঁপানির সমস্যা অনেকাংশেই কমে যায়।

ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রন করে চিরতা: নির্দিষ্ট একটা বয়স পার করলেই বর্তমানে ডায়াবেটিকস হওয়া যেনো এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। কিন্তু এক সময় কিন্তু ডায়াবেটিকস অত বেশি প্রকট ছিলো না। যাদের বর্তমানে ডায়াবেটিকস এর সমস্যা আছে তারা নিয়মিত চিরতা খেয়ে দেখতে পারেন। নিয়মিত চিরতার রস পান করলে ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রনে আসে। ১০ গ্রাম চিরতা পরিষ্কার এক গ্লাস পানিতে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে উঠে পান করবেন। আশা করা যায় ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে।

কৃমি সমস্যার সমাধান চিরতা: আমরা কৃমির সমস্যা হলে এক ধরনের ট্যাবলেট খেয়ে থাকি। কিন্তু অনেক সময় আমাদের পেটে কৃমির সমস্যা থাকে কিন্তু আমরা বুঝতেই পারি না কৃমির আধিক্যের কথা। তাছাড়া শুধুমাত্র একটা ট্যাবলেট অনেক সময় পেটের সকল কৃমি পরিষ্কার করতে পারে না। পেটের কৃমি যদি প্রাকৃতিক উপায়ে শেষ করতে চান তাহলে চিরতা আপনার জন্য মহোঔষধ হতে পারেন। রাতে পরিষ্কার এক গ্লাস পানিতে চিরতা ভিজিয়ে রাখুন এবং সিকালে খালি পেটে পান করুন। এভাবে অল্প কয়েকদিন পান করলেই আশা করা যায় আপনি কৃমির সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাবেন।

রক্তশূন্যতা কমায় চিরতা: বর্তমানে পরিপূর্ন পুষ্টি খাবারের মাধ্যমে আমাদের শরীর পায় না। যার ফলস্বরূপ অনেক সময় ই রক্ত শূন্যতা দেখা যায়। রক্ত শূন্যতা যেকোন বয়সের মানুষের ই হতে পারে তবে বিশেষ করে কিশোর আর বৃদ্ধদের এই সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। নিয়মিত চিরতার রস পান করলে রক্ত শূন্যতা অনেকাংশেরি কমে যাবে।

হৃদরোগের ঝুকি কমায়: হৃদরোগকে বলা হয় মরনব্যধি। কিন্তু শুরু থেকে কিছু নিয়ম মেনে চললে এই মরন ব্যধি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অনেকগুলো নিয়মের মধ্যে একটি হচ্ছে চিরতা। গবেষনায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত চিরতার রস পান করেন তাদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ কম। তবে এর মানে এই না যে শুধু চিরতার রস পান করলেই হৃদরোগ হবে না। তবে এটা নিশ্চিত চিরতা হৃদরোগের ঝুকি অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়।

চিরতার রস খাওয়ার নিয়ম

পূর্বে আমরা চিরতা কিভাবে খায় তা আলোচনা করেছি। সাধারনত ১০ গ্রাম চিরতা ২০০ মিলি লিটার পানির সাথে ভিজিয়ে রস খাওয়া হয়। এবং সাধারনত আগের রাতে ভিজিয়ে পরের দিন সকালে পানি পান করা হয় কিন্তু অনেকেই এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হয়ে যান যে ঠিক ১০ গ্রাম চিরতা কিভাবে আলাদা করবে। চিরতা মূলত একটি ভেষজ ঔষধ। তাই আপনি যদি ১০ গ্রামের চেয়ে কম বা বেশি খেয়ে ফেলেন কোন সমস্যা হবে না। একইভাবে পানি ও যদি ২০০ মিলি লিটার থেকে কম বেশি হয়ে যায় তাহলে কোন সমস্যা হবে না। তবে আমরা সাজেশন দিবো যতটা সম্ভব এই পরিমান অনুসরন করার চেষ্টা করুন তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন।

চিরতা ক্যাপসুল

বর্তমানে ভালো মানের চিরতা পাওয়া কিছুটা দূষ্কর হয়ে দাড়িয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে বাজার থেকে চিরতা কিনতে পাওয়া গেলেও ধোয়া, ভিজানো এইসব অনেকের কাছের ঝামেলার কাজ মনে হতে পারে। আবার চিরতার রস অত্যাধিক তিতা হওয়ার অনেকে চাইলেও খেতে পারেন না। এই সমস্যা সমাধানে বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির চিরতা ক্যাপসুল পাওয়া যায়। দিনে খাবারের পর ১ টি বা ২ টি করে ক্যাপসুল খেয়ে নিলে আপনার আর কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না।

তবে ক্যাপসুল ক্রয়ের পূর্বে ভালোভাবে ওই কোম্পানি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে শুনে নিবেন। কারন বর্তমানে অনেকেই যাচ্ছেতাই নাম দিয়ে নিজেদের মত করে চিরতা ক্যাপসুল বাজারে আনছে যা উপকারের পরিবর্তে আপনার আরো ক্ষতি করতে পারে। আমাদের সাজেশন থাকবে যদি সম্ভব হয় চিরতা ক্যাপসুল না কিনে সরাসরি চিরতার রস খেতে পারলে এটা ই ভালো হবে আপনার জন্য।

চিরতা ও কালমেঘ কি একই

অনেকেই কৌতহল বশত আমাদের কাছে জিজ্ঞেস করেন চিরতা ও কালমেঘ কি একই জিইস। উত্তর হচ্ছে না। কালমেঘ ও চিরতার মতই তিতা জাতিয় ভেষজ গুল্ম এবং এর নিজস্ব কিছু ঔষধি গুন আছে তবে চিরতা ও কালমেঘ এক জিনিস নয়। কালমেঘ কে অনেকে বাংলায় সবুজ চিরতা বলে থাকেন তবে দুইটি সম্পূর্ন ভিন্ন জিনিস।

চিরতা কোথায় পাওয়া যায়

অনেকেই আমাদের কাছে জিজ্ঞেস করেন চিরতা কোথায় পাবেন। চিরতা আপনি মূলত দুইভাবে কালেক্ট করতে পারেন। আপনি যদি সরাসরি বাগান থেকে কালেক্ট করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার আশেপাশে খুজে দেখতে হবে। এটি মূলত উচু টিলার পাদদেশে ও তুলনামূলক ভেজা মাটিতে বেশি জন্মায়। তাই আপনি চাইলে আপনার আশেপাশে খুজে দেখতে পারেন। এছাড়া কেউ বানিজ্যিকভাবে চাষ করলে সেখান থেকে নিয়ে শুকিয়া খেতে পারেন।

তবে বর্তমানে বাজারে চিরতা কিনতে পাওয়া যায়। সাধারনত ব্যবহারের জন্য ২০ টাকার করে কিনলেই অনেকদিন খেতে পারবেন। সাধারনত মশলার দোকানগুলোতে চিরতার শিকড় ও ঢাল কিনতে পাওয়া যায়।

মন্তব্য

উপরে আমরা চিরতা কি, চিরতা কিভাবে খায় এবং চিরতার রস খাওয়ার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি ব্লগটি কিছুটা হলেও আপনাদের উপকারে আসবে। যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ

ইজি টেকিং - একটি বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে বাংলা ভাষায় শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলা ভাষায় সবার মাঝে সঠিক তথ্য পৌছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Leave a Comment